কখনো কি ভেবেছেন শার্টের লুপ কী কাজে লাগে?

আমরা প্রায়ই শার্টের পেছনে পিঠ বরাবর একটি লুপ দেখতে পাই। কখনো কি ভেবেছেন এটা কী কাজে লাগে? এটা কি শুধুই ফ্যাশন নাকি প্রয়োজনের তাগিদে ব্যবহার করা হচ্ছে? অনেকেই অনেক কিছু ভাবতে পারেন। তাহলে আসল সত্যটা জেনে নিন: প্রথমেই বলে রাখা ভালো, দিন যত পাল্টেছে; ততই পাল্টেছে মানুষের রুচিবোধ। মানুষের রুচির সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পোশাকের বাহার। বাহারি পোশাকের জন্য প্রবর্তিত হয়েছে নানাবিধ ফ্যাশন। ফ্যাশন্যাবল পোশাকের যত্নে মানুষ ব্যবহার করতে শুরু করেছে ওয়ারড্রোব এবং হ্যাঙার।

এখন কথা হচ্ছে- ওয়ারড্রোব এবং হ্যাঙার আবিষ্কার হওয়ার আগে পোশাক রাখা হত কীভাবে? যেখানে সেখানে রাখলে তো কুঁচকে যাওয়ার ভয় ছিল। ফলে ঘরের দেওয়ালে সাঁটানো হতো পেরেকজাতীয় কিছু। আর সেটার সঙ্গে পোশাকটি ঝুলিয়ে রাখা হতো। শার্টের বেলায় এই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল। জানা যায়, ১৯৬০ সালে আমেরিকায় শার্টের পেছনে এ ধরনের ‘লুপ’ রাখার প্রচলন শুরু হয়। এছাড়া কলারে একটি বোতামও দেওয়া হয়, যার নাম ‘অক্সফোর্ড বাট্ন’। এরপর ভাইরাল হয়ে যায় সে ফ্যাশন। নাম বদলে হয়ে যায় ‘লকার লুপ’। এরপর ‘ফেয়ারি লুপ’, ‘ফ্যাগ ট্যাগ’ বা ‘ফ্রুট লুপ’ নামেও এর পরিচিতি বিস্তৃত হতে থাকে। এই ‘লুপ’ দিয়েই জামা ঝুলিয়ে রাখা হতো।তবে প্রচলনটি এখনও রয়ে গেছে। আলমারি, ওয়ারড্রোব ইত্যাদি আসার পর এর প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও ফ্যাশন হিসেবে রয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *