এবার ব্রাশ পুরনো হলেই ফেলে দেন? এসব জানলে আর ফেলবেন না

নিত্য ব্যবহার্য জিনিসের মধ্যে অন্যতম টুথ ব্রাশ। চিকিৎসকদের মতে, একটি ব্রাশ এক থেকে দেড় মাসের বেশি ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়। তা হলে কি এই এক-দেড় মাসের পরই ফেলে দিতে হবে টুথ ব্রাশ? তা কেন? ঘরোয়া কিছু কাজে ব্যবহার করুন টুথ ব্রাশ— যা আপনার রোজের পরিশ্রমও কমাবে, সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজটুকুও সেরে ফেলা যাবে সহজেই। এমনিতেই অন্যান্য ব্রাশের তুলনায় টুথব্রাশের দাঁড়া নরম হয়। তাতে খরখরে ভাবও অনেক কম থাকে। তাই ঘরোয়া কাজে এমন ব্রাশ কাজে আসে বেশি। দেখুন তো, এই সব কাজেও যে টুথব্রাশ ব্যবহার করা যায়, তা কখনও ভেবেছেন কি না! জিনিসপত্রের ব্যবহার শেষ হলেই তা ফেলে দেওয়া বা বাতিলের স্তূপে জড়ো করা আমাদের বরাবরের স্বভাব। তবে এমন কিছু জিনিস রয়েছে, যা এক বার কোনও কাজে ব্যবহারের পরও আমরা অন্য কাজে সহজেই ব্যবহার করতে পারি। কেবল, প্রয়োজন সেই পদ্ধতির প্রয়োগটুকু জানা। সূক্ষ্ম নকশার ধাতব কোনও গয়না বা মূর্তি পরিষ্কার করতেও সাহায্য নিন ব্রাশের। ব্রাশেল নানা খাঁজে পৌঁছে সহজেই তা পরিষ্কার করবে।

বাড়ির গ্রিলের কারুকাজে সূক্ষ্ম নকশা আছে? কাপড়ের পক্ষে সেই খাঁজ অবধি পৌঁছে তার ধুলো পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রেও শরন নিন টুথব্রাশের। বাড়ির কম্পিউটারে কি বোর্ডে মাঝে মাঝেই জমে যায় ধুলো। কখনও বা আটকে থাকে কিছু কণা। সে সব পরিষ্কার করার ক্ষমতা কোনও নরম কাপড়ের নেই। বরং বাতিল টুথব্রাশের দাঁড়া দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করুন কি বোর্ড। বাড়ির চিরুণি পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন টুথব্রাশ। সরু দাঁড়া হোক বা মোটা দাঁড়া— ব্রাশে সাবান লাগিয়ে চিরুণিতে ঘষলেই সহজে পরিষ্কার হবে চিরুণি। জুতো নোংরা হয়েছে? তার গায়ে লেগে থাকা ধুলোকে আগে ব্রিসলস দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। জুতোয় নানা খাঁজে জমে থাকা ধুলো সহজেই ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার সম্ভব। এর পর সে জুতো কাচা গেলে কেচে ফেলুন। তা হলেই পুরনো জুতোর রূপ ফিরতে আর সময় লাগবে না। বাড়ির কোনও কল নোং‌রা হয়েছে? কিংবা বেসিনের গায়ে দাগ জমেছে? কল বা বেসিনের গা পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন ব্রাশ। ভিনিগার বা লেবুর রস মিশিয়ে নিন ব্রাশে। এ বার হাতের চাপে কিছুটা ঘষলেই উঠে যাবে এই দাগ। বাড়ির টাইলস পরিষ্কার করতেও একই পদ্ধতি গ্রহণ করুন। শীত আসছে, ঠোঁট ফাটার সমস্যাও শুরু হবে অচিরেই। হাতের কাছে তৈরি রাখুন পুরনো টুথব্রাশ। কোনও কেমিক্যাল ছাড়াই এমনিই ঠোঁটের উপর ঘষুন ব্রাশ। এতে মৃতকোষ ঝরে গিয়ে ঠোঁটের যত্ন নেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *