যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে

কিছু খাবার শরীরের মধ্যে একই সঙ্গে প্রবেশ করলে ‌বিষক্রিয়া তৈরি করে। কাজেই এই সমস্ত খাদ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা দরকার। নিন্মে এই খাবারগুলো তুলে ধরা হলো: ১। দই ও ফল: যখন খার যুক্ত খাবারগুলি দইয়ের সাথে মিলিত হয়, তখন অ্যাসিড তৈরি করে। যা শরীরের পরিপাককে বাধাগ্রস্ত করে। ২। মাংস ও দুধ: সাধারণত, মাছ, ডিম, কলিজা ও মাংসে প্রচুর প্রোটিন ও আমিষ থাকে। আর অপরদিকে দুধকে সুষম খাদ্য বলা হয়ে থাকে। কাজেই খাদ্যের একাধিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে আবার একই পুষ্টি উপাদান মিলে গেলে তা শরীরের জন্য ভালো নয়। ৩। তরমুজ ও পানি: প্রবাদে আছে ‘ফল খেয়ে জল খেয় না’। ঠিক তেমনি একটি পানীয় ফল তরমুজ। এমনিতেই প্রচুর পানি কাজেই তরমুজ খাওয়ার পর পানি না খাওয়াই ভালো। ৪। চা ও দই: চা এবং দই উভয় পানীয়তেই অ্যাসিড থাকে। তাই সাধারণ ভাবেই বলা যায় যে এ দুইটি পানীয় শরীরের মধ্যেকার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। যার ফলে হজমে সমস্যা হয়। তাই এই খাবার দুইটি এক সঙ্গে না খাওয়াই ভালো। ৫। কোমল পানীয় ও পুনিদা পাতা: আমরা সাধারনত ইউটিউব এবং হোয়াটস অ্যাপ এ অনেক বার এ ধরনের সতর্কতাশূলক ভিডিও দেখে থাকি। কিভাবে পুদিনা কোলার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বিশ্বাস করা হয় যে, এই দুটি একত্রিত হলে শরীরের ঝুঁকির পরিমান থাকে। কাজেই কোকা-কোলার সাথে পুদিনা মেশানো উচি নয়।

৬। দুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক: কয়েকটি ঔষধ আছে যা শরীরে লোহা ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজের শোষণকে প্রতিরোধ করে, তাই যারা অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন তাদের ঔষধ চলাকালীন সময় দুধ পান না করাই ভালো। ৭। দুধ ও লেবু: যখন দুধ লেবু যোগ করা হয় তখন দুধ ফেটে যায়। পেটের ভিতরেও একইরকম হয়। যদিও এটি সাধারণত বিশ্বাস করা হয় যে পেটে পাচক রস লেবুর তুলনায় অনেক বেশি অ্যাসিডের ভাগ থাকে। তবে আয়ুর্বেদ ও ঐতিহ্যগত বিজ্ঞান এই দুটি উপাদানকে বিষাক্ত বিবেচনা করে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া আরও পড়ুন- সকালে যে কাজগুলো করবেন, যেগুলো করবেন না কিছু কাজ সকালে না করাই ভালো৷ কাজগুলো ঘুম থেকে উঠেই না করে পরে করলে অনেক উপকার৷ আবার কিছু কাজ ঘুম থেকে উঠেই করে ফেলা ভালো৷ জেনে নিন… ঘুম থেকে উঠেই ই-মেইল দেখবেন না: নেভার চেক ই-মেইল ইন দ্য মর্নিং’ বইয়ের লেখিকা ইউলি মর্গেনস্ট্যার্ন মনে করেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে মেইল চেক না করাই ভালো৷ তাতে মন খারাপ হবার মতো কোনো মেইল দেখে দিনের শুরুটা খুব খারাপ হতে পারে৷ সুন্দর সকালটাকে সুন্দর রাখতে তাই দিনের অন্য কোনো সময়ে মেইল দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি৷ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে: ফেসবুক, টুইটার অনেকের কাছে নেশার মতো৷ তাঁদের তো বটেই, অন্যদেরও ঘুম থেকে উঠে অনেকটা সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে না কাটানোই ভালো৷ এর ফলে কর্মক্ষমতা কিছুটা লোপ পায়৷ দিন শুরুর আগেই কর্মক্ষমতা কমানোর কী দরকার? বেডরুম গুছিয়ে ফেলুন: ভালো অভ্যাসের অনেক উপকারি দিক থাকে৷ যেমন ঘুম থেকে উঠেই ঘর গোছানো৷ ‘দ্য পাওয়ার অফ হ্যাবিট’ গ্রন্থের লেখক চার্লস ডুহ্যিগ মনে করেন, সকালেই শোবার ঘরটা গুছিয়ে নিলে মন বেশ ফুরফুরে থাকে৷ তাতে কাজের আগ্রহও বাড়ে৷ মন দিয়ে নাস্তা করুন: অনেকেই সকালের নাস্তা, অর্থাৎ ব্রেকফাস্টকে খুব একটা গুরুত্ব দেননা৷ কিন্তু সময় মতো ব্রেকফাস্ট করা খুব দরকার৷ সকালের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পাকস্থলি ভালো রাখতে সহায়তা করে৷ কাজকর্মেও এর ভালো প্রভাব পড়ে৷ সকালে কাজের তালিকা ছোট রাখুন: চোখ খুলেই রেডিয়োটা ছাড়ো, এক গ্লাস পানি খাও, গোসল সেরে নাস্তা করো, তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়ো- দিন শুরুর আগে ছোটখাটো কাজের তালিকা এর চেয়ে বেশি দীর্ঘ না করাই ভালো৷ এমন কাজ বেশি করা মানে নিজের ওপর চাপ তৈরি করা৷ দিন ভালো কাটাতে চাইলে এমনটি না করাই শ্রেয়৷ তথ্যসূত্র ও ছবি : ডয়চে ভেলে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *